একবার নয়, দুইবার খোঁড়া হলো কবর তবুও মিলছিল না শেষ ঠিকানা। এমনকি বাড়ির উঠানে পড়ে থাকা সেই মরদেহকে ঘিরে চলে তর্ক, ধাক্কাধাক্কি, এমনকি হাতাহাতিও। যে সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে সারাটা জীবন কাটিয়েছিলেন, মৃত্যুর পর তাদের বিরোধেই শেষ বিদায়ও আটকে যায় মৃত জলিলের।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার রসুলপুরে মৃত জলিল পণ্ডিতের লাশ দাফনকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয় চরম উত্তেজনা, সংঘর্ষ ও নাটকীয় পরিস্থিতির। জানা যায়, জীবদ্দশায় তিনি চারটি বিয়ে করলেও বর্তমানে রয়েছেন তার দুই স্ত্রী ও সাত ছেলে-মেয়ে । সম্প্রতি তার মৃত্যু হলে স্বজনরা পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নেন।
কিন্তু এর মধ্যেই আপত্তি জানান কয়েকজন সন্তান, তাদের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে তাদের বাবা সম্পত্তির একটি বড় অংশ ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে লিখে দিয়েছিলেন, যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলছিল পরিবারের মধ্যে। সেই জেরেই তারা বাধা দেন বাবার লাশ দাফনে ।
প্রথমে পারিবারিক কবরস্থানে কবর খোঁড়া হলে পরিস্থিতি জটিল হয়, পরে দ্বিতীয়বার খোঁড়েন বাড়ির উঠানে। কিন্তু সেখানেও শুরু হয় নতুন করে আপত্তি। এমনকি লাশ সামনে রেখেই ভাই-বোনদের মধ্যে দফায় দফায় ঘটে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনা। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর চেষ্টায় বিরোধের অবসান হলে বাড়ির উঠানেই সংক্ষিপ্ত জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন করা হয় জলিল পণ্ডিতের মরদেহ।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত মিলেছে বাবার কবর। কিন্তু থেকে গেল এক বাবার লজ্জাজনক ও বেদনাদায়ক শেষ বিদায়ের সৃতি ।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার রসুলপুরে মৃত জলিল পণ্ডিতের লাশ দাফনকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয় চরম উত্তেজনা, সংঘর্ষ ও নাটকীয় পরিস্থিতির। জানা যায়, জীবদ্দশায় তিনি চারটি বিয়ে করলেও বর্তমানে রয়েছেন তার দুই স্ত্রী ও সাত ছেলে-মেয়ে । সম্প্রতি তার মৃত্যু হলে স্বজনরা পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নেন।
কিন্তু এর মধ্যেই আপত্তি জানান কয়েকজন সন্তান, তাদের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে তাদের বাবা সম্পত্তির একটি বড় অংশ ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে লিখে দিয়েছিলেন, যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলছিল পরিবারের মধ্যে। সেই জেরেই তারা বাধা দেন বাবার লাশ দাফনে ।
প্রথমে পারিবারিক কবরস্থানে কবর খোঁড়া হলে পরিস্থিতি জটিল হয়, পরে দ্বিতীয়বার খোঁড়েন বাড়ির উঠানে। কিন্তু সেখানেও শুরু হয় নতুন করে আপত্তি। এমনকি লাশ সামনে রেখেই ভাই-বোনদের মধ্যে দফায় দফায় ঘটে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনা। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর চেষ্টায় বিরোধের অবসান হলে বাড়ির উঠানেই সংক্ষিপ্ত জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন করা হয় জলিল পণ্ডিতের মরদেহ।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত মিলেছে বাবার কবর। কিন্তু থেকে গেল এক বাবার লজ্জাজনক ও বেদনাদায়ক শেষ বিদায়ের সৃতি ।
অনলাইন ডেস্ক